মঙ্গলবার ১০ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২৭শে মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

ঢাকাকে হারিয়ে সিলেটের টাইটান্স ৬ রানে জয়ী

স্পোর্টস রিপোর্টার,ঢাকা   |   বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২৪ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

ঢাকাকে হারিয়ে সিলেটের টাইটান্স ৬ রানে জয়ী

আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৯২ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে বসে সিলেট টাইটান্স। তখনো বোঝা যাচ্ছিল না সিলেটের ইনিংস আসলে কত রানে থামবে। তবে আজমত উল্লাহ ওমরজাইয়ের ২৪ বলে ৫০ রানের ঝোড়ো ইনিংসে সিলেটে তাদের ইনিংস থামে ৫ উইকেটে ১৭৩ রানে। জবাবে, ঢাকা ক্যাপিটালস ৭.৩ ওভারে ৪৩ রান তুলতে হারিয়ে বসে ৫ উইকেট। দলটির ব্যাটিং দুর্দশায় দর্শকরা ধরেই নিয়েছিল হতে যাচ্ছিল একপেশে এক ম্যাচ। কিন্তু শামীম পাটোয়ারি সেই সুযোগটা দেয়নি। ৪৩ বলে ৮১ রানের এক ঝোড়ো ইনিংসে ১৭৪ রানের লক্ষ্যটা প্রায় তাড়া করেই ফেলেছিল। তবে শেষ ওভারে মোহাম্মদ আমিরের দুই ডেলিভারিতে জয়টা হাতছাড়া হয় ঢাকা ক্যাপিটালসের। সিলেট টাইটান্সের কাছে ৬ রানে হারে তারা। ম্যাচের ফলাফল যাই হোক দুদলের ব্যাটাররা যেমন আক্রমণাত্মক খেলেছেন, তাতে পয়সা উসুল হয়েছে দর্শকদের।
সিলেটের ম্যাচ মানেই লাক্কাতুরায় জমজমাট লড়াই! স্বাগতিক দর্শকদের সমর্থনটা বেশ ভালোভাবেই পাচ্ছে সিলেট টাইটান্স। সেই সমর্থনে উজ্জীবিত হয়ে তারা দারুণ জয় উপহার দেয় সমর্থকদের। আগে ব্যাট করতে নেমে ২২ রানে দুই উইকেট হারিয়ে অনেকটা বিপদেই পড়ে সিলেট টাইটান্স। তাতে দর্শকরা হয়ে পড়ে খানিকটা হতাশ। সেই হতাশা কেটে ওঠে পারভেজ হোসেন ইমনের ব্যাটে। ৩২ বলে খেলেন ৪৪ রানের দারুণ এক ইনিংস। তার বিদায়ের পর যখন দলটি ফের বিপদে তখনই ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত আজমতউল্লাহ ওমরজাই। একদিন আগে দলে যোগ দেওয়া ওমরজাই ৫ চার ও ৩ ছক্কায় ২৪ বলে ৫০ রান করেন। তাতেই সিলেট পায় ৫ উইকেটে ১৭৩ রানের সংগ্রহ। ঢাকার হয়ে সালমান মির্জা ৪৬ রানে নেন দুই উইকেট। এছাড়া সাইফ হাসান ১৩ রানে নেন এক উইকেট।
১৭৪ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ঢাকা যেন হয়ে পড়ে ছন্নছাড়া। তাতে গ্যালারিতে বাড়ে আরো হইহুল্লোড়। সিলেট টাইটান্স সমর্থকদের এমন সমর্থনেই হয়তো প্রথম দিকে ছন্নছাড়া হয়ে পড়ে দলটি। মাঝে উসমান খান ১৫ বলে ২১ ও সাব্বির রহমান ১৯ বলে ২৩ রান করে ধাক্কা খানিকটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা চালান। কিন্তু সেটা যথেষ্ট ছিল না। ফলে চাপ বাড়ে শামীম পাটোয়ারির ওপর। সাম্প্রতিক সময়ে জাতীয় দলের হয়ে রান না পাওয়া এই শামীমই হয়ে ওঠেন ত্রাণকর্তা। ৪৩ বলে খেলেন ৮১ রানের এক ঝোড়ো ইনিংস। তার ইনিংসে ছিল ৯টি চার ও তিনটি ছক্কা। এটাই শামীমের ক্যারিয়ার সেরা টি-টোয়েন্টি ইনিংস। তার এমন দারুণ ইনিংসে শেষ ওভারে জয় পেতে ঢাকার সামনে সমীকরণ দাঁড়ায় ২৭ রান।শেষ ওভারের প্রথম বলে ৪ হাঁকানোর পর দ্বিতীয় বল করতে আমির করেন দুই বল। একটি করে ওয়াইড ও নো বলে ঢাকার স্কোরকার্ডে যোগ হয় আরো দুই রান। ফলে শেষ ৫ বলে ঢাকার জয়ের জন্য দরকার ছিল ২১ রান। আধুনিক টি-টোয়েন্টিতে এটা মোটেও অসম্ভব কিছুই না। দ্বিতীয় বলে ৬ হাঁকিয়ে আরো সহজ হয়ে আসে ঢাকার জয়ের পথ। তৃতীয় বল ডট দেওয়ায় শেষ পর্যন্ত আর জয়ের মুখ দেখা হয়নি ঢাকার। শেষ তিন বলে ম্যাচ টাই করার সুযোগ থাকলেও আমিরের দারুণ বোলিংয়ে সেটা আর সম্ভব হয়ে ওঠেনি। ঢাকার ইনিংস থামে ৮ উইকেটে ১৬৭ রানে। তাতে হার নিয়ে ছাড়তে হয় ম্যাচ। সিলেটের হয়ে আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৪০ রানে নেন দুই উইকেট। এছাড়া দুটি করে উইকেট নেন মোহাম্মদ আমির ও নাসুম আহমেদ।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
সিলেট টাইটান্স : ১৭৩/৫, ২০ ওভার (ওমরজাই ৫০*, ইমন ৪৪, সালমান ২/৪৬)।
ঢাকা ক্যাপিটলাস : ১৬৭/৮, ২০ ওভার (শামীম ৮১*, সাব্বির ২৩, ওমরজাই ৩/৪০)
ফল : সিলেট টাইটান্স ৬ রানে জয়ী।
ম্যাচসেরা : আজমতউল্লাহ ওমরজাই।

Facebook Comments Box
আরও

এ বিভাগের আরও খবর

Chief Editor
Shahan Ahmed Chowdhury
Editor
J U Sumon
News Editor
Mehdi Hassan
UK Office
USA OFFICE
  • Hasan Hafizur Rahman
    264/A,Central Avenue
    Garden City
    NY 11040
    USA
সিলেট ব্যুরো
  • আব্দুর মুক্তাদির
    সিটি কর্পোরেশন মার্কেট (২য় তলা)
    চালিবন্দর, সোবহানীঘাট, সিলেট।
ঢাকা ব্যুরো
  • সৈয়দ আবু নাসের
    এমএস প্লাজা ২৮/সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০