রবিবার ১৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ২রা ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিরোনাম >>
শিরোনাম >>

নতুন বই হাতে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

ঢাকা ব্যুরো   |   বৃহস্পতিবার, ০১ জানুয়ারি ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   ২০ বার পঠিত   |   পড়ুন মিনিটে

নতুন বই হাতে উচ্ছ্বসিত শিক্ষার্থীরা

২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিন বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি ) প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সব বই পেলেও মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীদের আশাভঙ্গ হয়েছে। মাধ্যমিকের কোনো কোনো শ্রেণিতে কিছু বই দেওয়া হয়েছে। আবার অনেক স্কুলে মাধ্যমিকের কোনো বই দেওয়া হয়নি। এখন পর্যন্ত মাধ্যমিকের প্রায় ৩০ শতাংশ বই ছাপা বাকি।বছরের প্রথম দিন মাধ্যমিকের সব বই দিতে না পারায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে কোনো অনুষ্ঠানের আয়োজনও করা হয়নি। এমনকি শিক্ষা উপদেষ্টা ড. সি আর আবরার কোনো স্কুলেও যাননি। তবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় একটি স্কুলে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের হাতে বই তুলে দেয়।

জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) কর্মকর্তারা আশা করছেন, জানুয়ারির মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা সব বই হাতে পাবে।তবে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, শিক্ষার্থীদের সব বিষয়ের সব বই হাতে পেতে পুরো জানুয়ারি মাস লেগে যেতে পারে। এমনকি তা ফেব্রুয়ারিতেও গড়াতে পারে।
সূত্র জানায়, ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে প্রাথমিকে প্রায় ৯ কোটি, মাধ্যমিক ও ইবতেদায়িতে প্রায় ২১ কোটি বই ছাপানো হচ্ছে।গত দেড় দশক ধরে শিক্ষাবর্ষের প্রথম দিন উৎসব করে শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের বই তুলে দেওয়া হয়।এ জন্য নতুন বছরের প্রথম দিন দেশজুড়ে শিক্ষাঙ্গনে উৎসবের আমেজ দেখা যেত। দুই-তিন বছর ধরে এর ব্যত্যয় ঘটেছে। বিদায়ি বছরে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের শিক্ষার্থীদের হাতে বিনামূল্যের সব পাঠ্যবই পৌঁছে দিতে প্রায় মার্চ মাস পর্যন্ত লেগে যায়।
গত বছরের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে এবার পাঠ্যবই ছাপার প্রক্রিয়া আগেভাগেই শুরু করা হয়েছিল। নভেম্বরের মধ্যে সব পাঠ্যবই ছাপিয়ে মাঠ পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যও নির্ধারণ করা হয়েছিল।সে অনুযায়ী দরপত্রের প্রক্রিয়া প্রায় শেষ করে মূল্যায়নের কাজও শেষ করা হয়। তবে শেষ সময়ে গত নভেম্বরে এসে ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির পাঠ্যবই ছাপার দরপত্র বাতিলের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। নতুন করে দরপত্র আহবান করে বই ছাপানোর কাজ শুরু হয়। ফলে মাধ্যমিকের সব বই সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি বলে এনসিটিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়।
নতুন বছরের প্রথম দিন গতকাল রাজধানীর আবুল বাশার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মাঝে বই বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। তিনি বলেন, নতুন বছরের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মাঝে শতভাগ পাঠ্যবই বিতরণ করা সম্ভব হয়েছে। এই বইগুলোর মান আগের তুলনায় নিশ্চিতভাবে ভালো। এটি বর্তমান সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।

অভিভাবকদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নের লক্ষ্যে একটি অভিভাবক নির্দেশিকা বই প্রস্তুত করা হচ্ছে, যা খুব শিগগিরই আপনাদের হাতে তুলে দেওয়া হবে। শিশুরা কিভাবে বড় হয়ে ওঠে, তাদের সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেড়ে ওঠার জন্য অভিভাবকদের করণীয় বিষয়গুলো খুব সহজ ভাষায় ও চিত্রের মাধ্যমে সেখানে তুলে ধরা হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামানের সভাপতিত্বে বই বিতরণ কার্যক্রমে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানা, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আব্দুল লতিফ প্রমুখ।

Facebook Comments Box
আরও

এ বিভাগের আরও খবর

Chief Editor
Shahan Ahmed Chowdhury
Editor
J U Sumon
News Editor
Mehdi Hassan
UK Office
USA OFFICE
  • Hasan Hafizur Rahman
    264/A,Central Avenue
    Garden City
    NY 11040
    USA
সিলেট ব্যুরো
  • আব্দুর মুক্তাদির
    সিটি কর্পোরেশন মার্কেট (২য় তলা)
    চালিবন্দর, সোবহানীঘাট, সিলেট।
ঢাকা ব্যুরো
  • সৈয়দ আবু নাসের
    এমএস প্লাজা ২৮/সি/২ টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বা/এ, ঢাকা-১০০০