নিউজ ডেস্ক | রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | ৬২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েও পার পাচ্ছেন না। কুখ্যাত যৌন অপরাধী জেফরি এপস্টেইনকে ঘিরে ম্যান্ডেলসন বিতর্ক এবং এর জেরে একের পর এক জ্যেষ্ঠ সহযোগীদের পদত্যাগের ঘটনায় সৃষ্ট নৈরাজ্যের মধ্যে স্টারমারের ওপর পদত্যাগের চাপ থেকেই যাচ্ছে।অবশ্য পদত্যাগের এসব দাবি নাকচ করেছেন স্টারমার। সোমবার স্টারমারের পদত্যাগ দাবি করেছেন স্কটিশ লেবার পার্টির নেতা আনাস সারওয়ার।
সোমবার তড়িঘড়ি আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই আহ্বান জানান, যা ডাউনিং স্ট্রিটে স্টারমারের নেতৃত্বকে চরম ঝুঁকির মুখে ঠেলে দিয়েছে। সিনিয়র এই লেবার রাজনীতিবিদ সাংবাদিকদের বলেন,এই বিক্ষিপ্ত পরিস্থিতির অবসান হওয়া দরকার এবং ডাউনিং স্ট্রিটের নেতৃত্বে পরিবর্তন আসা প্রয়োজন।
সারওয়ার জানান, ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিট থেকে ‘অসংখ্য ভুল’ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীকে একজন ‘ভদ্রলোক’ হিসেবে অভিহিত করলেও সারওয়ারের মতে, স্টারমার আগামী মে মাসে অনুষ্ঠেয় স্কটিশ পার্লামেন্ট নির্বাচনে লেবার পার্টির জয়ের সম্ভাবনা নস্যাৎ করছেন।তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এখন দেশের স্বার্থ সবার আগে দেখা উচিত।
জেফরি এপস্টেইনকে নিয়ে লর্ড পিটার ম্যান্ডেলসনের মিথ্যা কথায় বিশ্বাস করে তাঁকে ওয়াশিংটনে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য আগেই ক্ষমা চেয়েছেন যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। এরপর ওই বিতর্কের জেরে পদত্যাগ করেন তাঁর চিফ অব স্টাফ মর্গান ম্যাকসুইনি। এপস্টেইনের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা থাকার পরও ২০২৪ সালে ম্যান্ডেলসনকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ায় ঘটনায় ম্যাকসুইনির ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা ও বিতর্ক বেড়ে চলেছে।
এই পরিস্থিতিতে চাপের মুখে নাটকীয় ভাবে পদত্যাগ করেন স্টারমারের শীর্ষ উপদেষ্টা ম্যাকসুইনি। ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা লর্ড ম্যান্ডেলসনের সঙ্গে এপস্টেইনের বন্ধুত্বের কথা জানার পরও তাঁকে যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সুপারিশ করেছিলেন বলে অভিযোগ আছে। কেবল ম্যাকসুইনিই নয়, স্টারমারের যোগাযোগ প্রধান টিম অ্যালানও পদত্যাগ করেছেন। ম্যাকসুইনির পদত্যাগের এক দিন পরই অ্যালান পদত্যাগ করেন। সূত্র : দ্য মিরর



