
ঢাকা ব্যুরো | সোমবার, ০৪ মে ২০২৬ | প্রিন্ট | ৪৫ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

দেশের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের অন্তত সাতটি নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এ অঞ্চলে মাঝারি থেকে ভারি বৃষ্টিপাতের ফলে বন্যার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।সোমবার (৪ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র এ তথ্য জানিয়েছে।
পাউবোর তথ্যানুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নেত্রকোনা জেলার জারিয়াজঞ্জাইলে ৭৪ মিলিমিটার, হবিগঞ্জে ৭৪ মিলিমিটার এবং চাঁদপুর-বাগান এলাকায় ৬১ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।সকাল ৯টার তথ্য অনুযায়ী, উত্তর-পূর্বাঞ্চলের হাওর বেসিনের তিনটি জেলার সাতটি নদীর আটটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের পানি প্রাক-মৌসুমি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, সুনামগঞ্জের নলজুর নদীর পানি ১১ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে জগন্নাথপুর পয়েন্টে বিপৎসীমার ৪০ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। নেত্রকোনার ধনু-বাউলাই নদী ৯ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে জারিয়াজঞ্জাইলে বিপৎসীমার ৮ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।
এছাড়া সোমেশ্বরী নদীর পানি ১৪ সেন্টিমিটার কমলেও এখনও কলমাকান্দা পয়েন্টে বিপৎসীমার ৫০ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে। ভুগাই-কংশ নদী ২২ সেন্টিমিটার হ্রাস পেলেও জারিয়াজঞ্জাইলে ৬৭ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে।মগরা নদীর পানি নেত্রকোনা পয়েন্টে ৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ৭৯ সেন্টিমিটার এবং আটপারা পয়েন্টে স্থিতিশীল থেকে ২৭ সেন্টিমিটার ওপরে রয়েছে।
অন্যদিকে হবিগঞ্জের কালনি নদী আজমিরিগঞ্জ পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ১০ সেন্টিমিটার এবং সুতাং নদী সুতাং রেলব্রিজ পয়েন্টে ২৩ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে ৮৩ সেন্টিমিটার ওপরে প্রবাহিত হচ্ছে। পাউবো জানিয়েছে, সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলে নদীগুলোর পানির স্তর ঘণ্টায় ০ থেকে ১ সেন্টিমিটার হারে ধীরগতিতে বাড়ছে।
এদিকে ভারতের আবহাওয়া সংক্রান্ত বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে, মেঘালয় ও আসামে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। মেঘালয়ের চেরাপুঞ্জিতে ১৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে। এর প্রভাবে উজানের ঢল অব্যাহত থাকলে উত্তর-পূর্বাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
