বিনোদন প্রতিবেদক,ঢাকা | রবিবার, ০৯ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | ১২ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

মডেল অভিনেত্রী নীলাঞ্জনা নীলা। নাটক, বিজ্ঞাপনে নিয়মিত কাজ করেন তিনি। ছোটপর্দার গণ্ডি পেরিয়ে বড় পর্দায় কাজ শুরু করেছেন অনেক আগেই। ইতোমধ্যে নীলা অভিনীত বেশ কয়েকটি সিনেমা মুক্তি পেয়েছে। সিনেমায় অভিনয় করে হয়েছেন প্রশংসিত।
বদরুল আনাম সৌদের পরিচালনায় ‘গহিন বালুচর’ সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবার বড় পর্দায় আসেন লাক্স তারকা নীলাঞ্জনা নীলা। দীর্ঘ বিরতির পর আবারও একই নির্মাতার ‘শ্যামা কাব্য’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি।এরপর ‘টান’ ওয়েব ফিল্ম দিয়ে আলোচিতও হন নীলা। সবশেষ ‘ফিমেল ফোর’-এ অভিনয় করে আলোচিত হন এই অভিনেত্রী। এবার ভিন্নধর্মী এক সিনেমায় অভিনয় করেছেন নীলা। সিনেমাটি মুক্তিও পেয়েছে গত শুক্রবার ৭ নভেম্বর। সিনেমার নাম ‘সাইলেন্স: আ মিউজিক্যাল জার্নি।
সিনেমাটি নির্মাণ করেছেন দেশের জনপ্রিয় সংগীত পরিচালক ইমন সাহা। এটি তার নির্মিত প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এই সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন নীলাঞ্জনা নীলা।গ্রামের বাউল ঘরের এক মেয়ে, যার কণ্ঠে মাটির গন্ধ, আর চোখে শহরের স্বপ্ন–এই মেয়ের জীবনকাহিনি ঘিরে গড়ে উঠেছে গল্পটি যেখানে নীলাকে দেখা যাবে মায়া চরিত্রে।
এ সম্পর্কে নীলা জানানা,গানের জন্য গ্রাম থেকে শহরে আসে মায়া নামের মেয়েটিকে প্রথমে অনুপ্রেরণা দেওয়া হয় বড় পরিসরে গান করার। শহরে এসে জৌলুস, যশ আর জনপ্রিয়তার নেশায় হারিয়ে ফেলেন নিজের ভেতরের সত্তাকে। এই হারানো আর ফিরে পাওয়ার ভেতরেই ছবির মূল দর্শন।
এ ছবিতে নীলার বিপরীতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়ক সাইমন সাদিক। এতে আরও অভিনয় করেছেন ইন্তেখাব দিনার, আজাদ আবুল কালাম প্রমুখ।
সিনেমাটি নিয়ে গণ মাধ্যমকে নীলা বলেন,চরিত্রটা চ্যালেঞ্জিং ছিল। আমি এই চ্যালেঞ্জটা নিতে চেয়েছি সাহস করেই। কারণ এই চরিত্রের ভেতর দিয়েই আমি যেন নিজের ভেতরের শিল্পীকে খুঁজে পেয়েছি। এমনিতেই অভিনয়ে চ্যালেঞ্জ নিতে পছন্দ করি। আমি মনে করি, চ্যালেঞ্জ থাকলে সেই কাজটাও সুন্দর হয়ে ওঠে। দর্শকরা দেখেও আনন্দ পান।
তিনি আরও বলেন,সংগীত পরিচালক ইমন সাহার পরিচালনায় কাজ করা এক ভিন্ন অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার। ইমন দাদা শুধু সংগীত বোঝেন না, তিনি দৃশ্যের ভেতরেও সুর খুঁজে পান। তার ক্যামেরায় গান বেদনা আর নীরবতা এক সঙ্গে বয়ে চলে।কয়েক মাস যুক্তরাষ্ট্রে থেকে দেশে ফিরেছেন নীলা। দেশে ফিরেই টানা কয়েকটি নাটকের শুটিং করেছেন। নীলা বলেন, নাটক করেছি বেশ কয়েকটি। ওটিটির কাজেরও কথা চলছে। সিনেমার অফার তো আমার কাছে প্রচুর আসে। এখনো আছে। ভাবছি, গল্প পড়ছি। যেটি ভালো হয় সেটি করব। আপাতত সাইলেন্স সিনেমা নিয়েই আছি।
নীলাঞ্জনা নীলা অভিনীত সিনেমার গল্পগুলো একটু ভিন্ন ধাঁচের। মূলত তৃপ্তি থেকেই এমন গল্পের সিনেমা করা। এর বাইরে কমার্শিয়াল ছবিতেও কাজ করতে চান তিনি। তার ভাষায়,যদি গল্পের উপস্থাপনা ভালো হয় আয়োজন সুন্দর হয় আমি অবশ্যই কমার্শিয়াল সিনেমায় কাজ করব।



