কানাডা প্রতিনিধি | মঙ্গলবার, ২১ অক্টোবর ২০২৫ | প্রিন্ট | ৩৬ বার পঠিত | পড়ুন মিনিটে

কানাডা প্রবাসী চিত্রশিল্পী জেরিন তাজের গত ২০ অক্টোবর একক চিত্র প্রদর্শনী উপলক্ষ্যে কানাডার ক্যালগেরির সেলেসটিয়া প্রোডাকশন হাউজে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্যালগেরির সভাপতি ইকবাল রহমান সেলেসটিয়া প্রোডাকশন হাউজের কর্ণধার ডা. গুলশান আক্তার ও ইঞ্জিনিয়ার জাহিদ আলম, নৃত্যশিল্পী মৌ, রম্য লেখক বায়াজিদ গালিব ও চিত্রশিল্পী জেরিন তাজ।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রম্য লেখক বায়াজিদ গালিব। তিনি বলেন, শিল্পী জেরিন তাজ ইতিমধ্যেই কমিউনিটিতে সুনামের সঙ্গে ছোট ছোট কোমলমতি শিক্ষার্থীদের মধ্যে আর্ট শিক্ষা দিয়ে আসছেন। তাঁর কল্পনা শক্তি ও শিল্পের প্রতি আবেগের অপরূপ সৌন্দর্যের সমন্বয় ও পরিস্ফুটন ঘটবে আগামী ২৫ অক্টোবর তার চিত্র প্রদর্শনীতে। ওই দিন সবাইকে উপস্থিত থেকে শিল্পীকে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও বলেন, জেরিন তাজ তার শিল্পী জীবনে যে সাফল্য অর্জন করেছেন, তা প্রশংসনীয়। আমি আশা করি, এই প্রদর্শনী সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করবে এবং শিল্পানুরাগীদের জন্য একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা হবে।
শিল্পী জেরিন তাজ বলেন, আগামী ২৫ অক্টোবর বিশ্ব আর্টিস্ট দিবসে তার প্রদর্শনীতে ৩০টিরও বেশি শিল্পকর্ম স্থান পাবে। যেখানে বাংলাদেশসহ কানাডার বিভিন্ন অত্যাশ্চর্য প্রাকৃতিক চিত্রও ফুটে উঠবে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ও ক্যালগেরির বিষয়বস্তু নিয়ে গঠিত আমার চিত্রকর্মগুলো দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণ করবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
সেলেসটিয়া প্রডাকশন হাউজের কর্ণধার ডা. গুলশান আক্তার জানান, অনুষ্ঠানটি আমাদের প্রডাকশন হাউজ থেকে আয়োজন করতে পেরে আমরা গর্বিত। এটি আমাদের একটি গৌরবময় মুহূর্ত।বাংলাদেশ কানাডা অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্যালগেরির প্রেসিডেন্ট ইকবাল রহমান বলেন, ক্যালগেরিতে জেরিন তাজের অবদান অনস্বীকার্য। এখানকার শিশুদের চিত্রাঙ্কনের মাধ্যমে তিনি যে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিচ্ছেন, তা দুই দেশের মাঝে সাংস্কৃতিক বন্ধনকে আরও মজবুত করেছে।
সেলেসটিয়া হাউজের পরিচালক ইঞ্জিনিয়ার জাহিদুল আলম চিত্র প্রদর্শনীকে জেরিন তাজের জন্য একটি ‘মাইলফলক’ বলে অভিহিত করেন।সম্মেলনের শেষ অংশে বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব মৌ ইসলাম ক্যালগেরির সব নাগরিককে এই প্রদর্শনী উপভোগের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এটি আমাদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক আয়োজন, যা ক্যালগেরির শিল্প জগৎকে আরও সমৃদ্ধ করবে।



